প্রিয়,
তুমি ছাড়া এখন তিনটি মাস পার হলো। কিন্তু কেন যানি তিনটি মাস মনে হচ্ছে সেই ফেলে আসা তিনটি বছর এর চেয়েও বেশি দীর্ঘ। নাহ!তোমার কাছে ফিরে যাওয়ার কথা বলবো নাহ,সেই পথ অনেক আগেই নিজেই বন্ধ করে দিয়েছি।কিন্তু কেন জানি সেই আগের তুমিটাকে মন এখনো খুজে বেরায়। তুমি ভালো আছো তোহ আমি ছাড়া? থাকতে পারার কথা নয়, কিন্তু যদি থাকো তাহলে অবাক হবোনা। এক্টু এক্টু করেই শাস্তি পাও। শাস্তি পেতে পেতে হারিয়ে যাও যাতে কোনোদিন ফিরে আসতে না পারো।

আমাকে তোহ নিজের সবটায় রাখার কথা বলতে। কই কোনোদিন আমার নাম কারও সামনে মুখে আনলে না কেন? তোমার ফেসবুকের টাইমলাইনে কোনোদিন আমাকে নিয়ে কিছু লিখলে না কেন? যখন তোমার প্রয়োজন ছিলো পাশে ছিলেনা কেন? আমি আজও বুঝতে পারিনি আদোও কি আমি তোমার মনে ছিলাম?নাকি কেবল তোমার মুখেই? আমার অস্তত্বিতের প্রমাণ তোমার কাছে পাওয়াটা নিখক আমার ভ্রান্ত ধারণা ছাড়া আর কিছুই না।কারণ আমার অস্তিত্ব যে কখোনো ছিলোইনা তোমার কাছে। তাইতো আজও তোমার হাজার লিখার মাঝেও নিজেকে খোজা ছেড়ে দিয়েছি। আমি জানি সেসব আমার নয়। জোর করে তোমার কাছে থাকতে চাওয়াটা বোকামি না বলো?,,,, তাইতো আর নেই আমি। এখন তুমি একা খুব একা। হয়তো মাঝে মধ্যে আমায় খোজো কিন্তু পাওনা। হয়তো আপন মনেই কাদো। ছেলেরা কাদলে সেটা নাকি খুব কষ্টের। আমি চাই তুমি কষ্ট পাও, আমার অনুভূতি গুলোকে কিভাবে শেষ করে দিয়েছিলে তা বুঝতে পারবে। হয়তো এই কষ্টের ছলেই তোমার কবিতায় আমার নাম থাকবে। এটাই আমার স্বার্থকতা। আমি খুব স্বার্থপর হয়ে গেছি। তোমার খুশির মাঝে আর নিজের খুশি খুজে বেরাই না। তাই ভালো থাকার কামনাও করবো না। প্রত্যেকটা পদধুলিতে মনে পরবে আমার কথা তোমার। আর নিস্তব্ধতা ছেয়ে যাবে তোমায়। নিঃস্বেশ হবে তুমি নিজের অজান্তেই।

তুমিতো ছিলে আমার সবটা জুরেই। আমার গল্প কবিতা কিছুই বাদ নেই, এখন না থেকেও আমার ডায়েরির প্রত্যেক পাতায় জায়গা করে নিচ্ছো।
যেদিন একেবারে নিঃশেষ হয়ে যাবে সেদিন তোমার সামনে দাড়াবো প্রত্যেকটি পাতার সাথে আমার অনুভূতি গুলোকেও ছিড়ে ফেলবো তোমার সামনে। সেদিন আমাদের বিচ্ছেদ পুর্নতা পাবে প্রিয়।

অপেক্ষা রইলো সেই দিনের।

ইতি,
তোমার অপ্রত্যাশিত প্রেরক।

Leave a Reply