করোনা থেকে অর্থনীতিকে বাঁচাতে আরো ১১৭ ট্রিলিয়ন ইয়েনের প্যাকেজ ঘোষণা করেছে জাপান সরকার। ত্রাণ প্যাকেজের মধ্যে ২৮ মে ( বুধবার ৩১.১ ট্রিলিয়ন দ্বিতীয় পরিপূরক বাজেট বিল অনুমোদন করেছে শিনজো আবের মন্ত্রিসভা।

নতুন প্যাকেজটি করোনো ভাইরাসজনিত কারণে আর্থিকভাবে লড়াই করা ব্যক্তি ও কোম্পানিগুলোর প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেব নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার, স্থানীয় সরকার, পৌরসভা ও বেসরকারী খাতের পাশাপাশি আর্থিক সংস্থাগুলোকে ঋণ হিসেবে দেওয়া হবে। ঋণের সমন্বয়ের জন্য মোট ১১৭.১ ট্রিলিয়ন ইয়েন নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশেষ এই বাজেটের আকারটি এ পর্যন্ত বৃহত্তম পরিমাণ। ২০২০ অর্থবছরে বাজেটটি এক মাস আগে জাপানের জাতীয় সংসদ ডায়েটে পাস করেছিল।

প্রায় ২০০ ট্রিলিয়ন ইয়েনের এই উদ্ধার ব্যবস্থাগুলি বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে চাকরি ও ব্যবসা-বাণিজ্য রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। যেখানে তিনি দেশের জরুরি অবস্থা পুরোপুরি শিথিলের ঘোষণাও দেন।

প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে অতিরিক্ত বাজেটের মধ্যে যে নীতিমালা তুলে ধরেছিলেন তার মধ্যে অন্যতম একটি হল কোম্পানিগুলোর জন্য কর্মসংস্থান সমন্বয় করা। কর্মক্ষেত্রের ওপর বিরুপ প্রভাব না ফেলতে পারে তাই ভর্তুকিগুলো দিচ্ছে জাপান সরকার ।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি কোম্পানিগুলো যদি কর্মীদের চাকরিচ্যুত করে তাহলে তাদের জন্য শতভাগ পর্যন্ত ছুটি ভাতা ব্যবস্থা থাকতে এই প্যাকেজের আওতায়।

তবে শীর্ষ কর্তাদের জন্য বর্তমানে জাপান সরকার জন প্রতি ৮ হাজার ৩৩০ ইয়েন করে দিচ্ছে যা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করা হচ্ছে। এটি সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ১৫ হাজার ইয়েন করার ঘোষণা দিয়েছেন জাপানি প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে।

এছাড়াও, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কোম্পানিতে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সর্বাধিক ৩ লাখ ৩০ হাজার ইয়েনের মাসিক নগদ অর্থ দেওয়ার কর্মসূচি বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় যারা ছুটিতে আছেন অথচ কোম্পানি তাদের আর্থিকভাবে ক্ষতিপূরণ পায় না তাদের দেওয়া হবে।

তথ্যসূত্র: জাপান টাইমস

Leave a Reply